রুশোর মতে, “শিক্ষা হল শিশুর স্বতঃস্ফূর্ত আত্মবিকাশ বা মানব সমাজে সকল কৃত্তিমতা বর্জিত একজন
স্বাভাবিক মানুষ তৈরিতে সহায়ক।”
এরিস্টটলের মত, “শিক্ষা হল শিক্ষার্থীদের দেহ, মনের বিকাশ সাধন এবং তার মাধ্যমে জীবনের মাধুর্য ও সত্য
উপলব্ধি করা।“
শিক্ষার অগ্রগতি , মানুষকে তথা দেশকে সমৃদ্ধ করে। কাজেই বলা হয় ,”শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। যে দেশ শিক্ষায়
যত বেশী সমৃদ্ধ সেই দেশ ততো বেশি উন্নত। দেশকে সমৃদ্ধ করার জন্য তৈরী করা হয় যুগপোযোগী শিক্ষাক্রম।
শিক্ষাক্রম সাধারণত নিম্নলিখিত অংশ নিয়ে গঠিতঃ
*শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বা শিক্ষা দর্শন। *শিখন শিখানো পদ্ধতি। * বিষয় বস্তুর তালিকা প্রণয়ন।
* শিখন সামগ্রি তথা পাঠ্যপুস্তক, শিক্ষক নির্দেশিকা, শিক্ষার্থীর নির্দেশিকা। * মূল্যায়ন কৌশল।
উল্লেখিত বিষয়ের উপর ভিত্তি করে শিক্ষাক্রম তৈরী করা হয়। শিক্ষাক্রমকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য
পাঠ্যক্রম তৈরী করা হয়। শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যক্রম কে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য, আমরা শিক্ষকতা
পেশায় নিয়জিত ও প্রস্তুত আছি ।
, শিক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্য হলো আচরণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন।, ” শিক্ষক সমাজ “ তাদের মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে
শিক্ষার্থীদেরকে স্বক্রিয়, সৃজনশীল, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সুনাগরিক হিসাবেগড়ে তোলে। আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাষ
করি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে এবং প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব ওয়েভ চালু করলে বর্তমান
শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন ও প্রতিষ্ঠান মনিটরিং করা সহজ হবে।
উপানন্দ শীল
প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)
চরনরিনা উচ্চ বিদ্যালয়
শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ।
